খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের মুহূর্ত থেকেই আমরা মান ও স্বচ্ছতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন হওয়ায় স্বাদের সাথে বজায় থাকে খাঁটিত্ব। এই যত্ন আর অভিজ্ঞতার কারণেই আমাদের খেজুরের গুড়ের উপর আপনি নিশ্চিন্তে বিশ্বাস রাখতে পারেন।
ঐতিহ্যবাহী স্বাদের প্রতিমূর্তি
পাটালি গুড় তৈরি করা হয় খেজুরের রস দীর্ঘ সময় ধরে জ্বাল দিয়ে। এই কারণে গুড়টা শক্ত হয় এবং রঙটা গাঢ় হয়। ভাঙলে ভিতরের অংশ পরিষ্কার থাকে, আঠালো লাগে না। শীতকালে পিঠা-পুলি, পায়েস বা ঘরোয়া মিষ্টি তৈরিতে এই গুড়টাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। যারা রান্নায় গুড় ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য পাটালি গুড় সবচেয়ে প্রিয়।
ব্যবহার: পিঠা, পুলি, পায়েস এবং যেকোনো মিষ্টান্ন তৈরিতে।
বৈশিষ্ট্য: জমাটবদ্ধ, গাঢ় বাদামী রঙ এবং দীর্ঘস্থায়ী সুগন্ধ।
সকালের নাস্তার সঙ্গী
ঝোলা গুড় তৈরি হয় খেজুরের রস ঘন করে, কিন্তু পুরোপুরি জমাট না করে। তাই এটি তরল অবস্থায় থাকে। এই গুড়ে খেজুরের ঘ্রাণ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এবং স্বাদটা নরম ও মোলায়েম। ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা বা দুধের সাথে ঝোলা গুড় মিশিয়ে খেলে শীতের আসল স্বাদ পাওয়া যায়। যারা পিঠা ও মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন, তাদের কাছে ঝোলা গুড় সবসময়ই প্রিয়।
ব্যবহার: রুটি, চিতই পিঠা, মুড়ি মাখানো বা চায়ের সাথে।
বৈশিষ্ট্য: তরল, সোনালী রঙ এবং সতেজ খেজুরের ঘ্রাণ।
মিহি ও সুস্বাদু
দানাদার গুড় পাটালি গুড়ের মতো শক্ত নয়, আবার ঝোলা গুড়ের মতো তরলও নয়। এটি নরম জমাট অবস্থায় থাকে এবং হাতে নিলে দানা দানা অনুভূত হয়। রুটি, দুধ, মুড়ি বা ঘি’র সাথে মিশিয়ে খেলে স্বাদ আরও ভালো বোঝা যায়। যারা খুব বেশি মিষ্টি পছন্দ করেন না, কিন্তু খেজুরের প্রাকৃতিক স্বাদ চান, তাদের জন্য দানাদার গুড় সেরা।
ব্যবহার: চা-কফিতে চিনির বিকল্প হিসেবে, অথবা সরাসরি ডেজার্ট হিসেবে।
বৈশিষ্ট্য: চিনির মতো দানা দানা, নরম এবং মুখে দিলেই মিলিয়ে যায়।
আপনার অর্ডারটি সফলভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
অর্ডার আইডি:
ফোন নাম্বার:
আমাদের প্রতিনিধি শীঘ্রই আপনার সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাবেন।